সর্বশেষ
কুয়াশায় ঘেরা মিরিঞ্জা ভ্যালিতে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন এই সুন্দরী অভিনেত্রী
সন্তানের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে নবী-রাসুলদের দোয়া
নির্বাচনকে কোনোভাবে বিতর্কিত করা যাবে না: সাইফুল হক
দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ কখন কার্যকর হবে, জানালেন প্রেস সচিব
ইউএনওর কক্ষে প্রবেশের জন্য অনুমতির প্রয়োজন নেই
নৌকার ইঞ্জিনে লুঙ্গি প্যাঁচিয়ে যুবকের মৃত্যু
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান: দুলু
হজ ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি করলে আইনের আওতায় নিয়ে আসব: ধর্ম উপদেষ্টা
মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হৃদয়ের, রাজনীতির নয়: হান্নান মাসউদ
জেলা প্রতিনিধি নিচ্ছে জাগো বাংলা
‘জানের বদলে জান সদকা’ করা যাবে কি?
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল, সম্পাদক মুরাদ
মাহফুজ-আসিফের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা
অর্থ উপদেষ্টা সচিবালয়ে ৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ
তৈরি পোশাক খাতে নারী নেতৃত্বের অগ্রগতিতে অংশীজনদের আহবান

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক

আজ ১২ ভাদ্র। প্রেম, সাম্য ও দ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৮তম প্রয়াণদিবস। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (তৎকালীন পিজি) হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীতজগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।

কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, দোয়া মাহফিল এবং আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে।

১৮৯৯ সালের ২৪ মে, (বাংলা ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬) ব্রিটিশ ভারতবর্ষের বাংলা প্রেসিডেন্সির চুরুলিয়া গ্রামে (বর্তমান ভারতবর্ষের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার জামুরিয়া ব্লকের চুরুলিয়া গ্রাম) জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। বাল্যকালে তিনি ‘দুখু মিয়া’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তার পিতা ফকির আহমদ ও মা জাহেদা খাতুন।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র ২৩ বছর সাহিত্যকর্মে মনোনিবেশ করতে পেরেছিলেন। এই অল্প সময়েই তিনি বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিলেন। তার কবিতা ও গান শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে মানুষকে যুগ যুগ ধরে উজ্জীবিত করেছে। অপরদিকে তার কবিতায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও সাম্য। তাকে বলা হয় ‘চিরপ্রেমের কবি।’ নজরুল নিজেই বলেছেন, ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতূর্য।’

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে কবি নজরুলকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান এ ক্ষেত্রে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কবির বাকি জীবন বাংলাদেশেই কাটে। ১৯৭৬ সালে নজরুলকে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদানের সরকারি আদেশ জারি করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ