ব্যক্তিত্ব ও বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রকাশে পরিপাটি চুল, দাড়ি কিংবা নখের ভূমিকা অপরিসীম। ইসলামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অঙ্গ বলা হয়েছে। স্বয়ং বিশ্বনবী (সা.) এর মাথার চুল কাঁধ পর্যন্ত লম্বা ছিল বলে হাদিসে উল্লেখ আছে (সহিহ বুখারি)। তবে উম্মতদের জন্য চুল ছোট ও পরিপাটি রাখাকেই অধিকতর উত্তম বলা হয়েছে।
ইসলামের দৃষ্টিতে নখ কাটা, গোঁফ ছোট রাখা বা শরীরের অবাঞ্ছিত পশম পরিষ্কার করা কেবল সৌন্দর্য নয়, বরং মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের (ফিতরাত) অন্তর্ভুক্ত। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত একটি হাদিস অনুযায়ী, পাঁচটি কাজকে মানুষের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে:
পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন অবস্থায় অনেকেই দৈনন্দিন কিছু কাজ নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন। যেমন—রোজা রেখে নখ কাটা যাবে কি না, কিংবা শরীরের যত্বে তেল-পাউডার ব্যবহার করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে কি না।
এই বিষয়ে বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ জানিয়েছেন, রোজা অবস্থায় নখ বা চুল কাটলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। এটি সম্পূর্ণ বৈধ। একইভাবে শরীরে সরিষার তেল, স্নো বা পাউডার ব্যবহার করলেও রোজা ভাঙবে না। অর্থাৎ, রোজা থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও সাধারণ প্রসাধন ব্যবহারে কোনো ধর্মীয় বাধা নেই।







