সর্বশেষ
সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আগ্রহী নেপাল
 সাইয়ারা’র সাফল্যে মুগ্ধ খোদ শাহরুখ খান!
কলম্বিয়ায় ১২১ আরোহী নিয়ে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৮০ লাশ উদ্ধার
রাশমিকা-বিজয়ের রূপকথার বিয়ে ও পর্দার পেছনের লড়াই
জনকল্যাণে দৃষ্টান্ত গড়তে চায় জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
ট্রাম্পের কথা শুনবে না ন্যাটো
লালমনিরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু
 ‘ভালোবাসি’ বলে জয় নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ!
গাইবান্ধায় ভিজিএফ চাল নিয়ে অনিয়ম: চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
মহিমান্বিত রজনী শবে কদর: হাজার মাসের চেয়েও উত্তম এক রাতের সন্ধানে
গণপরিবহনে তেলের রেশনিং তুলে নিলেন সেতুমন্ত্রী
সারাদেশে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নামতে পারে দিনের তাপমাত্রা
আজ ব্যারিস্টার আরমানের দ্বিতীয় দফার জেরা
আজ টানা  ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
ঐতিহাসিক আরব বিদ্রোহের কারণ ও ফলাফল

সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আগ্রহী নেপাল

সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে ঘিরে আঞ্চলিক যোগাযোগের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের এই বিমানবন্দরটিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার মাধ্যমে নেপাল, ভুটান ভারতের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপনে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেপাল সরকার।

রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে এই প্রস্তাব দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।

নেপালের রাষ্ট্রদূত জানান, সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা গেলে বাণিজ্য পর্যটনে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগের একটি কৌশলগত কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

বাংলাদেশ নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিমান পর্যটন খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে বাংলাদেশের কারিগরি কৌশলগত সহযোগিতা চেয়েছে নেপাল।

ঢাকাকাঠমাণ্ডু রুটে আকাশপথের ভ্রমণ আরও সহজলভ্য করতে এবং পর্যটক সংখ্যা বাড়াতে বিমান ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

উভয় পক্ষই পর্যটন শিল্পের প্রসারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী নেপালকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চার হবে এবং নেপালের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ