ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে অসন্তুষ্টি জানিয়ে এবার আইনি লড়াইয়ে নামলেন জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির আরও পাঁচজন প্রার্থী। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একক বেঞ্চে এই আবেদনগুলোর ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ তুলে যে পাঁচজন প্রার্থী সম্প্রতি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন তারা হলেন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (ময়মনসিংহ-১)। মো. ইলিয়াছ মোল্লা, জামায়াতে ইসলামী (নারায়ণগঞ্জ-২)। ইকবাল হোসাইন ভূইয়া, জামায়াতে ইসলামী (নারায়ণগঞ্জ-৩)। আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, জামায়াতে ইসলামী (লালমনিরহাট-১)। মো. ফিরোজ হায়দার, জামায়াতে ইসলামী (লালমনিরহাট-২)।
উল্লেখ্য, এর আগে কুড়িগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও পাবনাসহ বিভিন্ন আসনের আরও বেশ কয়েকজন বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী একই ধরণের আবেদন করেছিলেন। আদালত ইতোমধ্যেই সেই আবেদনগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন।
আদালত সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী নথিপত্র রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা মোতাবেক এই নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
হাইকোর্টের এই একক বেঞ্চে পর্যায়ক্রমে সব আবেদনের শুনানি চলবে বলে জানা গেছে।




