সর্বশেষ
নিরাশার আঁধারে তওবার আলো: আল্লাহর রহমত ও ফিরে আসার গল্প
তারা নির্বাচনের আগে আমাকে হারিয়ে দিয়েছিল: মির্জা ফখরুল
শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
বিএসইসি চেয়ারম্যান ও ৪ কমিশনারের পদত্যাগ
একের পর এক ধাক্কায় শাকিব খানের ‘রকস্টার’, মুক্তির সপ্তাহেই পাইরেসির থাবা
বেতন বন্ধ জুলাই ফাউন্ডেশনের কর্মীদের
প্রেম থেকেই কষ্ট পেয়েছিলাম: তৌসিফ মাহবুব
এভরিথিং ইজ ভেরি গুড
দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যবসা ধসের মাশুল খেলাপি ঋণ
৩৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা: মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের
ট্রাম্পের শর্ত ছাড়া ইরানের সাথে কোনো চুক্তি নয়: হোয়াইট হাউস
৩২ লাখের কোরবানি: সমালোচনার জবাবে যা বললেন মন্ত্রীর ছেলে
দেশের ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

নিজের সুবিধার জন্য বিদায় বেলাতেও আইন পাল্টান ইউনূস

দীর্ঘ ১৮ মাস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে তার এই বিদায়লগ্নে নতুন করে আলোচনায় এসেছে নিজের জন্য বিশেষ রাষ্ট্রীয় সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতা হস্তান্তরের ঠিক আগমুহূর্তে আইনি মারপ্যাঁচে নিজের ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও সুবিধা নিশ্চিত করেছেন তিনি।

ড. ইউনূসের দীর্ঘ দেড় বছরের শাসনামল নিয়ে শুরু থেকেই নানা আলোচনা-সমালোচনা ছিল। বিশেষ করে নিজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপুল অংকের ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফ এবং নিজের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির মামলাগুলো ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়টি তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়। এছাড়া ক্ষমতায় থাকাকালীন নিজ নামে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স গ্রহণের মতো ব্যক্তিগত প্রাপ্তিগুলোও এখন জনসমক্ষে আসছে।

সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে জারি করা একটি প্রজ্ঞাপন নিয়ে। সাবেক প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তৎকালীন সচিব মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা এক আদেশে ড. ইউনূসকে দায়িত্ব হস্তান্তরের পর থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (VVIP) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর ফলে তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (SSF) প্রটোকলসহ নানা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

২০০৬ সালের মূল আদেশে (SRO No. 285) বিদায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাদের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস এই সুবিধা দেওয়ার নিয়ম ছিল। কিন্তু ড. ইউনূস অতি গোপনীয়তার সাথে এই অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শুধুমাত্র নিজের জন্য সময়সীমা বাড়িয়ে এক বছর করেছেন।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কোনো পৃথক আইন প্রণয়ন বা পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। আইনজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপটি সংবিধানের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। ড. ইউনূস যদি বিদায়ী রাষ্ট্রপতি বা অন্যান্য সাংবিধানিক পদের ব্যক্তিদের জন্যও এই সময়সীমা বাড়াতেন, তবে তা কিছুটা যৌক্তিক হতো। কিন্তু কেবল নিজের জন্য এক বছরের সুবিধা নিশ্চিত করাকে অনেকেই তার ‘ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা’ এবং ‘অনৈতিকতা’ হিসেবে দেখছেন।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ