সর্বশেষ
‘এই স্মৃতি অনেক দিন তাড়িয়ে বেড়াবে’
সফদার ডাক্তার
স্কয়ার গ্রুপে চাকরি, আবেদন ২১ জুলাই পর্যন্ত
দুই দফায় কমলো দাম, জেনে নিন আজকের স্বর্ণের দর
তেহরানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, পারচিন-পাকদাশতে বিকট বিস্ফোরণ
লোহিত সাগরে হুথি হামলার ওপর জাতিসংঘের নজরদারির মেয়াদ বাড়ল
বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন কারা, যেভাবে দেখবেন
‘আমরা আর মাত্র এক ধাপ দূরে, ফাইনালে উঠতে সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেব’
রাজশাহীতে হু হু করে বাড়ছে মাছের দাম
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে কি না প্রশ্নে যা বললেন স্কালোনি
৪০ বছরের খরা কাটল মেক্সিকোর, ইকুয়েডরকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে
নেটদুনিয়ায় কেয়া পায়েলের নতুন ভিডিও: রহস্যময় সেই তরুণ কে?
ব্রাজিলের পরের ম্যাচ কবে-কখন, প্রতিপক্ষ কে?
স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাবে সরকার, ছুটতে হবে না শহরে

নিজের সুবিধার জন্য বিদায় বেলাতেও আইন পাল্টান ইউনূস

দীর্ঘ ১৮ মাস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে তার এই বিদায়লগ্নে নতুন করে আলোচনায় এসেছে নিজের জন্য বিশেষ রাষ্ট্রীয় সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতা হস্তান্তরের ঠিক আগমুহূর্তে আইনি মারপ্যাঁচে নিজের ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও সুবিধা নিশ্চিত করেছেন তিনি।

ড. ইউনূসের দীর্ঘ দেড় বছরের শাসনামল নিয়ে শুরু থেকেই নানা আলোচনা-সমালোচনা ছিল। বিশেষ করে নিজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপুল অংকের ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফ এবং নিজের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির মামলাগুলো ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়টি তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়। এছাড়া ক্ষমতায় থাকাকালীন নিজ নামে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স গ্রহণের মতো ব্যক্তিগত প্রাপ্তিগুলোও এখন জনসমক্ষে আসছে।

সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে জারি করা একটি প্রজ্ঞাপন নিয়ে। সাবেক প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তৎকালীন সচিব মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা এক আদেশে ড. ইউনূসকে দায়িত্ব হস্তান্তরের পর থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (VVIP) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর ফলে তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (SSF) প্রটোকলসহ নানা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

২০০৬ সালের মূল আদেশে (SRO No. 285) বিদায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাদের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস এই সুবিধা দেওয়ার নিয়ম ছিল। কিন্তু ড. ইউনূস অতি গোপনীয়তার সাথে এই অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শুধুমাত্র নিজের জন্য সময়সীমা বাড়িয়ে এক বছর করেছেন।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কোনো পৃথক আইন প্রণয়ন বা পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। আইনজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপটি সংবিধানের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। ড. ইউনূস যদি বিদায়ী রাষ্ট্রপতি বা অন্যান্য সাংবিধানিক পদের ব্যক্তিদের জন্যও এই সময়সীমা বাড়াতেন, তবে তা কিছুটা যৌক্তিক হতো। কিন্তু কেবল নিজের জন্য এক বছরের সুবিধা নিশ্চিত করাকে অনেকেই তার ‘ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা’ এবং ‘অনৈতিকতা’ হিসেবে দেখছেন।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ