সর্বশেষ
তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা নিয়ে জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক
বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকা ছাড়তে পারে মানুষ
সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া বন্ধ
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের অবস্থার উন্নতি; কেবিনে স্থানান্তর
যে উপায়ে এখনো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখছে ইতালি
ঈদের আমেজ কাটলেও কাটেনি বাজার অস্থিরতা: চড়া দামে নাজেহাল ক্রেতারা
গরমে শরীর ও মন চনমনে রাখতে বাঙ্গির জাদুকরী গুণাগুণ
৭০ লাখ ইরানি যুদ্ধ করতে প্রস্তুত: গালিবাফ
নেক কাজের সুফল পরিবারেও পৌঁছে
বিতর্কিত আদানি গ্রুপের চুক্তি বিবেচনা করবে সরকার: জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী
মার্কিনিদের উদ্দেশে ইরানের প্রেসিডেন্টের খোলা চিঠি, যে বার্তা দিয়েছেন
সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আগ্রহী নেপাল
 সাইয়ারা’র সাফল্যে মুগ্ধ খোদ শাহরুখ খান!
কলম্বিয়ায় ১২১ আরোহী নিয়ে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৮০ লাশ উদ্ধার
রাশমিকা-বিজয়ের রূপকথার বিয়ে ও পর্দার পেছনের লড়াই

যে উপায়ে এখনো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখছে ইতালি

বিশ্ব ফুটবলের নীল জার্সিধারী জায়ান্ট ইতালি কি তবে খাদের কিনারা থেকে ফিরে আসছে ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে? টানা তিনবার (২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬) বিশ্বমঞ্চে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হওয়া চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ভাগ্যে হঠাৎ করেই যেন এক ক্ষীণ আশার আলো দেখা দিয়েছে। যদিও মাঠের লড়াইয়ে বসনিয়া হার্জেগোভিনার কাছে হেরে আজ্জুরিদের বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছিল, তবুও পর্দার আড়ালের কিছু সমীকরণ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।

ইতালির এই ‘লাইফলাইন’ পাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা। আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে গুঞ্জন উঠেছে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরান জাতীয় দলের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচ খেলার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেছে। যদিও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি মেনেই ইরানকে খেলতে হবে। তবে ইরান যদি শেষ পর্যন্ত অনড় থাকে, তবেই খুলতে পারে ইতালির ভাগ্য।

ফিফার নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৬.২ অনুযায়ী, কোনো দেশ যদি মূল পর্ব থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়, তবে ফিফা তাদের পরিবর্তে অন্য কোনো দলকে সুযোগ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সাধারণত এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের প্লে-অফ রানারআপ বা র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দল অগ্রাধিকার পায়। সেই হিসেবে:

এশিয়া থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরাক এই দৌড়ে সবার আগে থাকার কথা। ইরাকের সহকারী কোচ রেনে মিউলেনস্টিনও মনে করেন, এএফসির নিয়ম অনুযায়ী তাদের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, ফিফা চাইলে বিশেষ বিবেচনায় বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংকে প্রাধান্য দিতে পারে। যদি র‍্যাঙ্কিংকে ভিত্তি ধরা হয়, তবে ইতালিই হবে সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, এটি কার্যকর করা ফিফার জন্য বেশ কঠিন। কারণ:

ইউরোপ থেকে অতিরিক্ত একটি দল নিলে অন্য মহাদেশীয় ফেডারেশনগুলো বৈষম্যের অভিযোগ তুলতে পারে। আঞ্চলিক কোটা বা মহাদেশীয় ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।

আপাতত ইতালির ভক্তদের জন্য এটি কেবলই একটি গাণিতিক সম্ভাবনা। বিশেষ কোনো অভাবনীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া আজ্জুরিদের ২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা এখনো ধোঁয়াশায় ঘেরা। শেষ পর্যন্ত ফিফা কোনো নাটকীয় পথে হাঁটে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়। তবে মাঠের ফুটবলে ব্যর্থ হওয়ার পর ‘টেবিল টক’-এ বিশ্বকাপে যাওয়ার এই লড়াই এখন ফুটবল বিশ্বে টক অফ দ্য টাউন।

 

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ