সর্বশেষ
৩৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা: মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের
ট্রাম্পের শর্ত ছাড়া ইরানের সাথে কোনো চুক্তি নয়: হোয়াইট হাউস
৩২ লাখের কোরবানি: সমালোচনার জবাবে যা বললেন মন্ত্রীর ছেলে
দেশের ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
ইরান ইস্যুতে গণমাধ্যমের ওপর চটলেন ট্রাম্প; আবহাওয়ার কারণে বদলাল মন্ত্রিসভার বৈঠক
আরাফাতের ময়দানে লাখো হাজির আকুতি, বিশ্বমঞ্চে ধ্বনিত হলো বাংলা খুতবা
কুয়েতে বাংলাদেশের খাদ্য সহায়তা হস্তান্তর, সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ
ঈদের দিন যেসব অঞ্চলে ভারি বর্ষণের আভাস
বাংলাদেশি ভাইরাল সেই মহিষ নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট নিয়ে যা জানা গেল
ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জামায়াতের সঙ্গে জোট করে এনসিপি রাজনৈতিক সতীত্ব হারিয়েছে: রাশেদ খাঁন
দেশের ১১ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন
ফরাসি ফুটবলে পিএসজির রাজত্ব অব্যাহত: রেকর্ড ১৪তম লিগ শিরোপা জয়
তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর: ডাসারে সড়ক উন্নয়ন কাজে আনিসুর রহমান খোকন

সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া বন্ধ

সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে বড় ধরনের কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য দেওয়া দীর্ঘদিনের সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

‘প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০’ এর আওতায় এতদিন যেসব সুবিধা বিদ্যমান ছিল:

উপসচিব ও তার ওপরের পদের কর্মকর্তারা গাড়ি কেনার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ পেতেন।

গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনের জন্য প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা সরকারি ভাতা পেতেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়া প্রতি বছর গাড়ির মূল্যের ওপর ১০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধা প্রযোজ্য ছিল।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে কর্মকর্তারা আর এসব আর্থিক সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না।

শুধুমাত্র গাড়ি কেনাই নয়, সরকারি কোষাগারের চাপ কমাতে আরও কয়েকটি খাতে বরাদ্দ কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:

সরকারি অর্থায়নে সকল ধরনের বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণ আপাতত বন্ধ থাকবে। প্রশিক্ষণ বাবদ খরচ আগের তুলনায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে হবে।সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন খরচ ৫০ শতাংশ এবং কনফারেন্স বাবদ ব্যয় ২০ শতাংশ হ্রাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক ভ্রমণ ব্যয়ও ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মূলত দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি ব্যয় সাশ্রয় করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রিসভা। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ