সর্বশেষ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
গণসংহতির প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়লেন সাকি
প্রখর তাপদাহে ঘামাচি ও ত্বকের অস্বস্তি: ঘরোয়া সমাধান ও সতর্কতা
আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন
কালবৈশাখীর পরেই রাজধানীতে ভ্যাপসা গরমের দাপট
যেসব ভুলের কারণে আপনার গাড়ি বেশি তেল পোড়াচ্ছে
ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ: এসিআই মোটরসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
ইমন-মোস্তাফিজের নৈপুণ্যে লাহোরের জয়
২৭ জেলার বাসিন্দাদের জন্য দুঃসংবাদ
আজকের স্বর্ণের বাজারদর
যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
নেকড়ের মুখোমুখী হয়ে ইসলামের পথে
তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা নিয়ে জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক
বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকা ছাড়তে পারে মানুষ
সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া বন্ধ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দিনক্ষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস হওয়ার পরই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

শনিবার (৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নবনিযুক্ত ১৪ জেলা পরিষদের প্রশাসকদের সাথে নিয়ে সেখানে শ্রদ্ধা জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান অধ্যাদেশগুলো যখন সংসদে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরিত হবে, তখনই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বন্ধ করার বিষয়ে সরকারের অনড় অবস্থানের কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, সংসদের মাধ্যমে বিদ্যমান এই আইনটি বাতিল করা হবে।

যারা বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং জনগণের পাশে থেকেছেন, তাদেরই প্রশাসক হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে যাদের মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ পেলেও প্রশাসকদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন মীর শাহে আলম। তিনি জানান, তাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ড কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় থাকবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান প্রশাসক মো. এজাজের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং বর্তমানে তদন্ত চলছে।

সরকারের লক্ষ্য হলো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো। আইনি সংস্কার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দিকে এগোতে চায় বর্তমান প্রশাসন।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ