সর্বশেষ
জুনের মাত্র ১৩ দিনেই এলো ১৩৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক
এশিয়ার যে দেশ সবচেয়ে বেশি ফুটবল বিশ্বকাপ খেলেছে
ঈমানের সুরক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা
মমেক হাসপাতালে হাম ও হাম উপসর্গে শিশু মৃত্যু বেড়ে ৫১
২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরেই স্কটল্যান্ডের বাজিমাত, পরাস্ত হাইতি
ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট নিয়ে সংসদে যাচ্ছে তারেক রহমানের সরকার
তিন দেশে বিশ্বকাপ: ভিন্ন সময়ে ত্রিমাত্রিক উদ্বোধনের অনন্য মহোৎসব
বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য মিলবে স্বস্তির বার্তা, কমছে ৬০ পণ্যের দাম
 বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে বাদ পড়লো টি-টোয়েন্টি সিরিজ
মেট্রোরেল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, আজ থেকেই কার্যকর
দেশে ফিরেছেন ৩২ হাজার ৮৩২ হাজি, প্রাণ গেল ৪৮ জনের
বগুড়ায় অস্ত্র ও মাদকসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার
মুরগির দাম বেড়েছে, কমেছে সবজির
আগামী সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন শি জিনপিং

এশিয়ার যে দেশ সবচেয়ে বেশি ফুটবল বিশ্বকাপ খেলেছে

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে মাঠ কাপাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। বৈশ্বিক ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে এবার ইতিহাস গড়েছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। প্রথমবারের মতো এশিয়া অঞ্চলের রেকর্ড ৯টি দেশ অংশ নিচ্ছে চলতি বিশ্বকাপে। মাঠের লড়াইয়ের এই উত্তেজনার মাঝেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিশ্বমঞ্চে এশিয়ার দেশগুলোর অতীত ফুটবল ইতিহাস ও পরাশক্তিদের হারিয়ে দেওয়া কিছু অবিশ্বাস্য রূপকথা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ফুটবল বিশ্বকাপে এশিয়ার দেশগুলোর অংশগ্রহণ ও মাঠ কাঁপানো সেই গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়:

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও ধারাবাহিক দল দক্ষিণ কোরিয়া। চলমান আসরসহ বিশ্বমঞ্চে রেকর্ড ১২ বার খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা। তবে কোরিয়ান ফুটবলের সোনালী অধ্যায় রচিত হয়েছিল ২০০২ সালের বিশ্বকাপে। ঘরের মাঠে সেবার ইতালি ও স্পেনের মতো বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তিকে বিদায় করে দিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল তারা। এশিয়ার কোনো দেশের জন্য বিশ্বকাপের শেষ চারে জায়গা করে নেওয়া আজও এক অনন্য ও অস্পর্শনীয় মাইলফলক।

১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সূর্যোদয়ের দেশ জাপানকে। চলতি আসরসহ টানা ৮ বার বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে ‘সামুরাই ব্লু’রা। তবে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তারা ফুটবল বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেয়। সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি ও স্পেনকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে উঠেছিল জাপান। পরাশক্তিদের বিপক্ষে জাপানিদের এই জোড়া জয়কে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা ‘আপসেট’ বা অঘটন হিসেবে গণ্য করা হয়।

কাতার বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমকটি এসেছিল সৌদি আরবের হাত ধরে। গ্রুপ পর্বের নিজেদের প্রথম ম্যাচেই তারা ২-১ গোলে হারিয়ে দেয় আসরের হট ফেভারিট এবং পরবর্তী সময়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে। বিশ্বসেরা দলটির বিপক্ষে সৌদি আরবের এই জয়কে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটন বলে মনে করেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

একই আসরে দুর্দান্ত পারফর্ম করে আলোচনার জন্ম দেয় অস্ট্রেলিয়াও। তিউনিসিয়া ও ডেনমার্ককে হারিয়ে তারা জায়গা করে নেয় শেষ ষোলোতে। বিশেষ করে ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচটিতে সকারুদের ইস্পাতকঠিন রক্ষণভাগ বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

বিশ্বকাপে এশিয়ার পরাশক্তিদের চমকে দেওয়ার গল্পটা কিন্তু আজকের নয়। এর শুরুটা হয়েছিল আরও ৬০ বছর আগে, ১৯৬৬ বিশ্বকাপে। সেবার শক্তিশালী ইতালিকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল নর্থ কোরিয়া। সেই যুগে এশিয়ার কোনো দলের পক্ষে এমন পারফরম্যান্স ছিল কল্পনাতীত।

দক্ষিণ কোরিয়া (১২ বার): ১৯৫৪, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬।

জাপান (৮ বার): ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬।

ইরান (৭ বার): ১৯৭৮, ১৯৯৮, ২০০৬, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬।

সৌদি আরব (৭ বার): ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬।

অস্ট্রেলিয়া (৭ বার): ২০০৬ (ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে), ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ