সর্বশেষ
‘এই স্মৃতি অনেক দিন তাড়িয়ে বেড়াবে’
সফদার ডাক্তার
স্কয়ার গ্রুপে চাকরি, আবেদন ২১ জুলাই পর্যন্ত
দুই দফায় কমলো দাম, জেনে নিন আজকের স্বর্ণের দর
তেহরানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, পারচিন-পাকদাশতে বিকট বিস্ফোরণ
লোহিত সাগরে হুথি হামলার ওপর জাতিসংঘের নজরদারির মেয়াদ বাড়ল
বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন কারা, যেভাবে দেখবেন
‘আমরা আর মাত্র এক ধাপ দূরে, ফাইনালে উঠতে সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেব’
রাজশাহীতে হু হু করে বাড়ছে মাছের দাম
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে কি না প্রশ্নে যা বললেন স্কালোনি
৪০ বছরের খরা কাটল মেক্সিকোর, ইকুয়েডরকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে
নেটদুনিয়ায় কেয়া পায়েলের নতুন ভিডিও: রহস্যময় সেই তরুণ কে?
ব্রাজিলের পরের ম্যাচ কবে-কখন, প্রতিপক্ষ কে?
স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাবে সরকার, ছুটতে হবে না শহরে

মমেক হাসপাতালে হাম ও হাম উপসর্গে শিশু মৃত্যু বেড়ে ৫১

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে হামের প্রাদুর্ভাব। প্রতিদিনই আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিয়ে হাসপাতালটিতে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারানো শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।

আজ রোববার (১৪ জুন) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার।

আড়াই বছর বয়সী এই শিশুটির বাড়ি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায়। গত জুন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার সকাল ১১টায় সে মারা যায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে আরও ২৫টি শিশু হাসপাতালের বিশেষ হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে।

গত ১৭ মার্চ থেকে আজ সকাল পর্যন্ত মোট হাজার ৮৭ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে হাজার ৯৪০ জন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছে ২৮ জন। বর্তমানে ৯৬টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলা থেকে ল্যাব টেস্টের জন্য পাঠানো মোট হাজার ৩৬২টি নমুনার মধ্যে পর্যন্ত ২০৯ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকিদের উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আইসোলেশন ওয়ার্ডে একদিকে যেমন বাড়ছে রোগীর চাপ, অন্যদিকে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন রোগীর স্বজনরা। চিকিৎসাধীন এক শিশুর বাবা আরিফ মিয়া অভিযোগ করে বলেন:

প্রতিদিনই তো বাচ্চার মরার খবর শুনছি, কিন্তু হাসপাতালের সেবার মান বাড়ছে না। বেড না পেয়ে অনেক শিশুকে মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। আইসিইউএর তীব্র সংকট। প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ ওষুধই আমাদের বাইরে থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। এমনকি বাথরুমগুলোর অবস্থা এতই নোংরা যে সেখানে যাওয়া যায় না।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মমেক হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার জানান, নতুন করে ২৫ জন শিশু ভর্তি হওয়ায় চিকিৎসকরা সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের চেষ্টা চলছে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ