সর্বশেষ
জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান
এনসিপিতে যোগ দিলেন ৭ শতাধিক নেতাকর্মী, আছেন ইউনূস পরিবারের সদস্যও
শিক্ষামন্ত্রীকে ভাষা ঠিক করতে বললেন জুলাইযোদ্ধা মেহনাজ
ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে যাবেন হামজা চৌধুরী
ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
শরীরে ট্যাটু বা উল্কি: ইসলামি বিধান ও অনুতপ্ত ব্যক্তির করণীয়
৭ জুন বসছে ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় যাত্রা
বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
দেশের বাজারে কমলো জেট ফুয়েলের দাম
হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই কিট ‘সংকট’
নতুন জীবনের পথে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, পাত্রী কে?
ভোটগণনায় অনিয়মের অভিযোগ মমতার, যা বলছে নির্বাচন কমিশন
সকালে খালি পেটে আখরোট খেলে যা হয়
তেহরানে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, প্রাণহানি ৮
দুপুরের মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলের জন্য দুঃসংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীকে ভাষা ঠিক করতে বললেন জুলাইযোদ্ধা মেহনাজ

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য এবং সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সক্রিয় যোদ্ধা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফসিন মেহনাজ আজিরিন। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচয় দিয়ে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম বা নৈতিকতাকে বিচার করার সুযোগ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে নাফসিন মেহনাজ সরাসরি সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, মিলনের আচারআচরণে এক ধরণের উগ্রতা প্রকাশ পায়। মেহনাজের মতে, তিনি (মিলন) নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবেন এবং বাকিদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেনযা কোনো সুস্থ রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। নাফসিন আরও যোগ করেন, অন্যকে ছোট করার আগে ওনার নিজের ভাষা এবং আচরণের উন্নয়ন ঘটানো জরুরি।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেশি স্বাধীনতা দিলে তারাজঙ্গিহয়ে উঠতে পারেএমন বিতর্কিত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নাফসিন জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, “১৮ জুলাই যদি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে না নামত, তবে পরিস্থিতি আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াত?”

তিনি মনে করেন, শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা আসলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব শিক্ষার ঘাটতিরই বহিঃপ্রকাশ।

নাফসিন মেহনাজ আজিরিন সন্ত্রাসবাদ বা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, কোনো অপরাধীর নির্দিষ্ট কোনো বাবামা, সমাজ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা চলে না। একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে পুরো একটি বিশ্ববিদ্যালয় বা ছাত্রসমাজকে বিচার করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক কাঠামো বা ডাকসু মতো কোনো সংগঠন না থাকা সত্ত্বেও জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীরা যেভাবে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তা আজ ইতিহাস। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন ছাড়াই তারা যেভাবে গণঅভ্যুত্থান সফল করতে ভূমিকা রেখেছে, তা কোনোভাবেই অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

জুলাই যোদ্ধাদের এই দাবি এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের কণ্ঠেও প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করার পাশাপাশি দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কথা বলার ক্ষেত্রে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এই সংবাদ সম্মেলন থেকে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ