সর্বশেষ
জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান
এনসিপিতে যোগ দিলেন ৭ শতাধিক নেতাকর্মী, আছেন ইউনূস পরিবারের সদস্যও
শিক্ষামন্ত্রীকে ভাষা ঠিক করতে বললেন জুলাইযোদ্ধা মেহনাজ
ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে যাবেন হামজা চৌধুরী
ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
শরীরে ট্যাটু বা উল্কি: ইসলামি বিধান ও অনুতপ্ত ব্যক্তির করণীয়
৭ জুন বসছে ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় যাত্রা
বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
দেশের বাজারে কমলো জেট ফুয়েলের দাম
হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই কিট ‘সংকট’
নতুন জীবনের পথে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, পাত্রী কে?
ভোটগণনায় অনিয়মের অভিযোগ মমতার, যা বলছে নির্বাচন কমিশন
সকালে খালি পেটে আখরোট খেলে যা হয়
তেহরানে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, প্রাণহানি ৮
দুপুরের মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলের জন্য দুঃসংবাদ

জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান

অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস এবং প্রবাসী শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

শুক্রবার ( মে) জাতিসংঘে আয়োজিতইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরাম’ (IMRF) এর সাধারণ বিতর্কে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

বক্তব্যে মন্ত্রী অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সরকারহোলঅফগভর্নমেন্টএবংহোলঅফসোসাইটিপদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে অভিবাসন খাতে স্বচ্ছতা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (GCM) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশেষমাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্সগঠন করা হয়েছে।

২০২৬২০৩০ মেয়াদের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ।

প্রথম আইএমআরএফ বাংলাদেশ ১০টি অঙ্গীকার করেছিল, যার মধ্যে ৭টি ইতিপূর্বেই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় আমরা আরও ৬টি নতুন অঙ্গীকার জমা দিয়েছি।” — আরিফুল হক চৌধুরী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী।

জলবায়ু পরিবর্তনকে বর্তমান সময়ে অভিবাসনের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর জন্য পর্যাপ্ত কারিগরি সহায়তা এবং নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

সবশেষে, একটি টেকসই নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ