সর্বশেষ
৩৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা: মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের
ট্রাম্পের শর্ত ছাড়া ইরানের সাথে কোনো চুক্তি নয়: হোয়াইট হাউস
৩২ লাখের কোরবানি: সমালোচনার জবাবে যা বললেন মন্ত্রীর ছেলে
দেশের ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
ইরান ইস্যুতে গণমাধ্যমের ওপর চটলেন ট্রাম্প; আবহাওয়ার কারণে বদলাল মন্ত্রিসভার বৈঠক
আরাফাতের ময়দানে লাখো হাজির আকুতি, বিশ্বমঞ্চে ধ্বনিত হলো বাংলা খুতবা
কুয়েতে বাংলাদেশের খাদ্য সহায়তা হস্তান্তর, সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ
ঈদের দিন যেসব অঞ্চলে ভারি বর্ষণের আভাস
বাংলাদেশি ভাইরাল সেই মহিষ নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট নিয়ে যা জানা গেল
ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জামায়াতের সঙ্গে জোট করে এনসিপি রাজনৈতিক সতীত্ব হারিয়েছে: রাশেদ খাঁন
দেশের ১১ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন
ফরাসি ফুটবলে পিএসজির রাজত্ব অব্যাহত: রেকর্ড ১৪তম লিগ শিরোপা জয়
তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর: ডাসারে সড়ক উন্নয়ন কাজে আনিসুর রহমান খোকন

যে উপায়ে এখনো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখছে ইতালি

বিশ্ব ফুটবলের নীল জার্সিধারী জায়ান্ট ইতালি কি তবে খাদের কিনারা থেকে ফিরে আসছে ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে? টানা তিনবার (২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬) বিশ্বমঞ্চে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হওয়া চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ভাগ্যে হঠাৎ করেই যেন এক ক্ষীণ আশার আলো দেখা দিয়েছে। যদিও মাঠের লড়াইয়ে বসনিয়া হার্জেগোভিনার কাছে হেরে আজ্জুরিদের বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছিল, তবুও পর্দার আড়ালের কিছু সমীকরণ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।

ইতালির এই ‘লাইফলাইন’ পাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা। আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে গুঞ্জন উঠেছে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরান জাতীয় দলের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচ খেলার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেছে। যদিও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি মেনেই ইরানকে খেলতে হবে। তবে ইরান যদি শেষ পর্যন্ত অনড় থাকে, তবেই খুলতে পারে ইতালির ভাগ্য।

ফিফার নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৬.২ অনুযায়ী, কোনো দেশ যদি মূল পর্ব থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়, তবে ফিফা তাদের পরিবর্তে অন্য কোনো দলকে সুযোগ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সাধারণত এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের প্লে-অফ রানারআপ বা র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দল অগ্রাধিকার পায়। সেই হিসেবে:

এশিয়া থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরাক এই দৌড়ে সবার আগে থাকার কথা। ইরাকের সহকারী কোচ রেনে মিউলেনস্টিনও মনে করেন, এএফসির নিয়ম অনুযায়ী তাদের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, ফিফা চাইলে বিশেষ বিবেচনায় বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংকে প্রাধান্য দিতে পারে। যদি র‍্যাঙ্কিংকে ভিত্তি ধরা হয়, তবে ইতালিই হবে সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, এটি কার্যকর করা ফিফার জন্য বেশ কঠিন। কারণ:

ইউরোপ থেকে অতিরিক্ত একটি দল নিলে অন্য মহাদেশীয় ফেডারেশনগুলো বৈষম্যের অভিযোগ তুলতে পারে। আঞ্চলিক কোটা বা মহাদেশীয় ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।

আপাতত ইতালির ভক্তদের জন্য এটি কেবলই একটি গাণিতিক সম্ভাবনা। বিশেষ কোনো অভাবনীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া আজ্জুরিদের ২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা এখনো ধোঁয়াশায় ঘেরা। শেষ পর্যন্ত ফিফা কোনো নাটকীয় পথে হাঁটে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়। তবে মাঠের ফুটবলে ব্যর্থ হওয়ার পর ‘টেবিল টক’-এ বিশ্বকাপে যাওয়ার এই লড়াই এখন ফুটবল বিশ্বে টক অফ দ্য টাউন।

 

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ