সর্বশেষ
তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা নিয়ে জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক
বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকা ছাড়তে পারে মানুষ
সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া বন্ধ
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের অবস্থার উন্নতি; কেবিনে স্থানান্তর
যে উপায়ে এখনো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখছে ইতালি
ঈদের আমেজ কাটলেও কাটেনি বাজার অস্থিরতা: চড়া দামে নাজেহাল ক্রেতারা
গরমে শরীর ও মন চনমনে রাখতে বাঙ্গির জাদুকরী গুণাগুণ
৭০ লাখ ইরানি যুদ্ধ করতে প্রস্তুত: গালিবাফ
নেক কাজের সুফল পরিবারেও পৌঁছে
বিতর্কিত আদানি গ্রুপের চুক্তি বিবেচনা করবে সরকার: জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী
মার্কিনিদের উদ্দেশে ইরানের প্রেসিডেন্টের খোলা চিঠি, যে বার্তা দিয়েছেন
সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আগ্রহী নেপাল
 সাইয়ারা’র সাফল্যে মুগ্ধ খোদ শাহরুখ খান!
কলম্বিয়ায় ১২১ আরোহী নিয়ে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৮০ লাশ উদ্ধার
রাশমিকা-বিজয়ের রূপকথার বিয়ে ও পর্দার পেছনের লড়াই

সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া বন্ধ

সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে বড় ধরনের কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য দেওয়া দীর্ঘদিনের সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

‘প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০’ এর আওতায় এতদিন যেসব সুবিধা বিদ্যমান ছিল:

উপসচিব ও তার ওপরের পদের কর্মকর্তারা গাড়ি কেনার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ পেতেন।

গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনের জন্য প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা সরকারি ভাতা পেতেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়া প্রতি বছর গাড়ির মূল্যের ওপর ১০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধা প্রযোজ্য ছিল।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে কর্মকর্তারা আর এসব আর্থিক সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না।

শুধুমাত্র গাড়ি কেনাই নয়, সরকারি কোষাগারের চাপ কমাতে আরও কয়েকটি খাতে বরাদ্দ কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:

সরকারি অর্থায়নে সকল ধরনের বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণ আপাতত বন্ধ থাকবে। প্রশিক্ষণ বাবদ খরচ আগের তুলনায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে হবে।সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন খরচ ৫০ শতাংশ এবং কনফারেন্স বাবদ ব্যয় ২০ শতাংশ হ্রাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক ভ্রমণ ব্যয়ও ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মূলত দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি ব্যয় সাশ্রয় করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রিসভা। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ