সর্বশেষ
মেট্রোরেল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, আজ থেকেই কার্যকর
দেশে ফিরেছেন ৩২ হাজার ৮৩২ হাজি, প্রাণ গেল ৪৮ জনের
বগুড়ায় অস্ত্র ও মাদকসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার
মুরগির দাম বেড়েছে, কমেছে সবজির
আগামী সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন শি জিনপিং
শিক্ষার আলো বনাম নৈতিকতার অন্ধকার
বেলকুচিতে বাস-অটোভ্যান সংঘর্ষ: প্রাণ হারালেন ৩ জন
নিরাশার আঁধারে তওবার আলো: আল্লাহর রহমত ও ফিরে আসার গল্প
তারা নির্বাচনের আগে আমাকে হারিয়ে দিয়েছিল: মির্জা ফখরুল
শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
বিএসইসি চেয়ারম্যান ও ৪ কমিশনারের পদত্যাগ
একের পর এক ধাক্কায় শাকিব খানের ‘রকস্টার’, মুক্তির সপ্তাহেই পাইরেসির থাবা
বেতন বন্ধ জুলাই ফাউন্ডেশনের কর্মীদের
প্রেম থেকেই কষ্ট পেয়েছিলাম: তৌসিফ মাহবুব
এভরিথিং ইজ ভেরি গুড

আরাফাতের ময়দানে লাখো হাজির আকুতি, বিশ্বমঞ্চে ধ্বনিত হলো বাংলা খুতবা

পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে শুরু হওয়া হজের বিশেষ খুতবা শেষে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একই সাথে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেছেন সমবেত লাখো পুণ্যার্থী।

নামিরাহ মসজিদ থেকে এবারের হজের মূল খুতবা পাঠ করেন সম্মানিত খতিব শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি।

বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা মুসলিমদের জন্য বরাবরের মতোই এবারও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ।

এ বছর বাংলাসহ মোট ৫০টি ভাষায় হজের খুতবা সরাসরি অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হয়। এ নিয়ে টানা সপ্তম বছরের মতো বাংলা ভাষায় খুতবার এই ডিজিটাল অনুবাদ শোনার সুযোগ পেলেন বাংলাভাষী মুসলমানরা।

এবারের খুতবা অনুবাদ প্যানেলে দায়িত্ব পালন করেছেন মক্কার ঐতিহ্যবাহী উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটির সাবেক চার কৃতি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী— ড. মুহাম্মদ খলীলুর রহমান, ড. আ ফ ম ওয়াহিদুর রহমান, মুবিনুর রহমান ফারুক এবং নাজমুস সাকিব।

সৌদি আরবের পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৯ জিলহজ, যা বিশ্ব মুসলিমের কাছে অত্যন্ত পুণ্যময় ‘আরাফা দিবস’ হিসেবে পরিচিত।

“লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক…”

ভোর থেকেই মিনায় ফজরের নামাজ শেষ করে দুই টুকরো সাদা ইহরামের কাপড়ে শরীর ঢেকে হাজিরা ছুটতে থাকেন আরাফাতের ময়দানের দিকে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ঐতিহাসিক বিদায় হজের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রান্তরে দাঁড়িয়ে সারাদিন চোখের পানিতে মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা করেন তারা। পুরো ময়দান পরিণত হয় শুভ্রতার এক মহাসমুদ্রে।

আরাফাতের ময়দানে দিনভর ইবাদত-বন্দেগি শেষে আজ স্থানীয় সময় সূর্যাস্তের পর হাজিরা রওনা হবেন পরবর্তী গন্তব্য মুজদালিফার উদ্দেশে। সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন এবং শয়তানের উদ্দেশ্যে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন তারা।

আগামীকাল বুধবার (১০ জিলহজ) সূর্যোদয়ের পর মিনায় গিয়ে জামারায় পাথর নিক্ষেপ এবং পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। একই সাথে শুরু হবে পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ। সবশেষে কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের পবিত্র হজের পুরো সফর।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ