কূটনৈতিক সংহতি ও দ্বিপাক্ষিক ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলো বাংলাদেশ ও কুয়েত। কুয়েতের জনগণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো ২৪০ টন জরুরি খাদ্য সহায়তার প্রথম চালান আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। একাধিক বিশেষ ফ্লাইটে এই উপহারসামগ্রী কুয়েতে পৌঁছানো হচ্ছে, যা দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক নতুন মাইলফলক।
গত রোববার (২৪ মে) কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জাররাহ জাবের আল–আহমাদ আল–সাবাহ’র কার্যালয়ে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই উপহারসামগ্রী বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই শুভেচ্ছা উপহার হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
বৈঠকে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। ওই বার্তায় কুয়েতের আমির ও সেদেশের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করা হয়। একই সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কুয়েতের মহামান্য আমির শেখ মেশাল আল–আহমাদ আল–জাবের আল–সাবাহকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ঐতিহ্যগত সম্পর্কের বাইরেও বেশ কিছু সম্ভাবনাময় খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়াতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়। উল্লেখযোগ্য খাতগুলো হলো বেসামরিক বিমান চলাচল, বাণিজ্য ও যৌথ বিনিয়োগ ,দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি
“বাংলাদেশের এই মানবিক উদ্যোগ ও সংহতি কুয়েত–বাংলাদেশ ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক উজ্জ্বল ও ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।” — শেখ জাররাহ জাবের আল–আহমাদ আল–সাবাহ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কুয়েত।
কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের এই মহানুভবতার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সংকটে ও সৌহার্দ্যে সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই বন্ধুরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আগামীতে আরও বেগবান হবে।






