সর্বশেষ
তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর: ডাসারে সড়ক উন্নয়ন কাজে আনিসুর রহমান খোকন
পে স্কেল কার্যকর নিয়ে নতুন তথ্য
ঢাকা হবে বিশ্বের অন্যতম সেরা শহর: ডিএসসিসি প্রশাসক
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা কবে?
সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে কী হয়
১০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্কতা জারি
ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত দক্ষিণ লেবানন
জাইকা মহাপরিচালকের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক
জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান
এনসিপিতে যোগ দিলেন ৭ শতাধিক নেতাকর্মী, আছেন ইউনূস পরিবারের সদস্যও
শিক্ষামন্ত্রীকে ভাষা ঠিক করতে বললেন জুলাইযোদ্ধা মেহনাজ
ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে যাবেন হামজা চৌধুরী
ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
শরীরে ট্যাটু বা উল্কি: ইসলামি বিধান ও অনুতপ্ত ব্যক্তির করণীয়
৭ জুন বসছে ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় যাত্রা

পে স্কেল কার্যকর নিয়ে নতুন তথ্য

দীর্ঘ ১১ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতি আর নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের মাঝে সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য আসছে বড় সুখবর। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটেই ঘোষণা হতে পারে বহুল আলোচিত নবম পে-স্কেল। সরকারের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ে আমাদের আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।

২০১৫ সালের পর আর নতুন কোনো বেতন কাঠামো না আসায় জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন দেশের লাখো সরকারি চাকুরিজীবী। তবে এবার বরফ গলতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে এই খাতের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি বরাদ্দের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

তবে বিপুল এই আর্থিক চাপ সামলাতে সরকার কিছুটা কৌশলী পথে হাঁটছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন এই বেতন কাঠামো একবারে নয় বরং ধাপে ধাপে কার্যকর করা হতে পারে। প্রথম পর্যায়ে মূল বেতনের প্রায় অর্ধেক বা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব আসতে পারে। যদিও এটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামোর চেয়ে কিছুটা কম, তবুও বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে একে বড় স্বস্তি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বাকি সুবিধাগুলো পরবর্তী কয়েক বছরে পর্যায়ক্রমে যোগ করা হবে।

দীর্ঘদিনের এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ নিরসনে সোচ্চার ছিল বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনও। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি ইতিমধ্যে আসন্ন বাজেটের আগেই ‘জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫’-এর সুপারিশ প্রকাশের জোর দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, এক দশক আগের বেতন কাঠামো দিয়ে বর্তমান সময়ে টিকে থাকা অসম্ভব। আর এই বাস্তবতাকে আমল দিয়েই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে এগোচ্ছে সরকার।

নতুন এই বেতন কাঠামোর সুফল পাবেন শুধু কর্মরত ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারীই নন, বরং ৯ লাখ পেনশনভোগীও এর আওতাভুক্ত হবেন। এছাড়া বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আলাদা কাঠামো তৈরির কাজও চলছে সমানতালে। সব ঠিক থাকলে ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। মূলত দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি এবং বাজেট ঘাটতির ভারসাম্য রক্ষা করতেই এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের চূড়ান্ত সবুজ সংকেত মিললেই আগামী বাজেটে আসবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এই বিশাল জনবলকে সন্তুষ্ট রাখা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা—উভয় দিক সামলানোই এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ