সর্বশেষ
ইরানের ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড় করছে যুক্তরাষ্ট্র 
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে, নায়ক হালান্ড
জুনের মাত্র ১৩ দিনেই এলো ১৩৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক
এশিয়ার যে দেশ সবচেয়ে বেশি ফুটবল বিশ্বকাপ খেলেছে
ঈমানের সুরক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা
মমেক হাসপাতালে হাম ও হাম উপসর্গে শিশু মৃত্যু বেড়ে ৫১
২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরেই স্কটল্যান্ডের বাজিমাত, পরাস্ত হাইতি
ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট নিয়ে সংসদে যাচ্ছে তারেক রহমানের সরকার
তিন দেশে বিশ্বকাপ: ভিন্ন সময়ে ত্রিমাত্রিক উদ্বোধনের অনন্য মহোৎসব
বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য মিলবে স্বস্তির বার্তা, কমছে ৬০ পণ্যের দাম
 বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে বাদ পড়লো টি-টোয়েন্টি সিরিজ
মেট্রোরেল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, আজ থেকেই কার্যকর
দেশে ফিরেছেন ৩২ হাজার ৮৩২ হাজি, প্রাণ গেল ৪৮ জনের

ইরানের ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড় করছে যুক্তরাষ্ট্র 

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভেঙে বিদেশে আটকে থাকা ইরানের ১ হাজার ২০০ কোটি (১২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার অবমুক্ত করতে সম্মত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সুইজারল্যান্ডে দু’দেশের মধ্যে ম্যারাথন বৈঠকের পর এই বড় ধরনের সমঝোতা সম্ভব হলো।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এই সফল আলোচনার খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

অর্থ ছাড়ের পাশাপাশি তেহরানের ওপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক স্বস্তি মিলছে। এই চুক্তির আওতায় ইরানের তেল এবং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত ইরান নির্বিঘ্নে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রি করতে পারবে। বিনিময়ে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) পরিদর্শকদের নিজেদের পরমাণু কেন্দ্রগুলো পরীক্ষা করার অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে তেহরান।

টানা ১৮ ঘণ্টার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা: কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় টানা ১৮ ঘণ্টার নিবিড় আলোচনার পর ওয়াশিংটন ও তেহরান এই সমাঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়।

চুক্তি সম্পন্ন হলেও অবমুক্ত হওয়া অর্থ কীভাবে ব্যবহার হবে, তা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই অর্থ দিয়ে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদিত কৃষিপণ্য কিনতে হবে।

ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাফ কথা— “যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য কিনতে ইরান বাধ্য নয়। এই ১২ বিলিয়ন ডলার কীভাবে এবং কোন খাতে খরচ হবে, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তেহরান নিজেই নেবে।”

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক ।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ