সর্বশেষ
জাইকা মহাপরিচালকের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক
জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান
এনসিপিতে যোগ দিলেন ৭ শতাধিক নেতাকর্মী, আছেন ইউনূস পরিবারের সদস্যও
শিক্ষামন্ত্রীকে ভাষা ঠিক করতে বললেন জুলাইযোদ্ধা মেহনাজ
ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে যাবেন হামজা চৌধুরী
ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
শরীরে ট্যাটু বা উল্কি: ইসলামি বিধান ও অনুতপ্ত ব্যক্তির করণীয়
৭ জুন বসছে ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় যাত্রা
বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
দেশের বাজারে কমলো জেট ফুয়েলের দাম
হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই কিট ‘সংকট’
নতুন জীবনের পথে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, পাত্রী কে?
ভোটগণনায় অনিয়মের অভিযোগ মমতার, যা বলছে নির্বাচন কমিশন
সকালে খালি পেটে আখরোট খেলে যা হয়
তেহরানে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, প্রাণহানি ৮

যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরা সময় থাকতেই কেটে পড়ুন: গালিবাফ

আন্তর্জাতিক নিউজ

বিশ্ব রাজনীতি অর্থনীতির অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে এক চাঞ্চল্যকর বার্তা দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট সম্পদগুলো নিয়ে বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপাকে পড়তে পারেন। গালিবাফের মতে, বৈশ্বিক উত্তেজনা বর্তমানের চেয়ে আরও বৃদ্ধি পেলে মার্কিন বিনিয়োগ বা সম্পদ সময়মতো বিক্রি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে বলেন, “সুযোগ থাকতেই বের হয়ে আসুন।

গালিবাফ তার পোস্টে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের আর্থিক নীতিতে এমন কিছু বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছে, যা মূলত বড় আকারের সম্পদ বিক্রিতে বাধা দেওয়ার জন্য তৈরি। এর ফলে বড় বিনিয়োগকারীরা চাইলেও তাদের হাতে থাকা মার্কিন সম্পদ পুরোপুরি বিক্রি করতে পারছেন না; বরং তারা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে লেনদেন করতে বাধ্য হচ্ছেন। স্পিকার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে এই বিক্রির সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ইরানের এই শীর্ষ নেতার মতে, ওয়াশিংটন বর্তমানে তাদের ট্রেজারি বন্ডের বাজার নিয়ে বেশ চিন্তিত। বিশেষ করে সুদের হার যেন হুট করে বেড়ে না যায়, সেদিকে কড়া নজর রাখছে মার্কিন প্রশাসন। কারণ, সুদের হারের সামান্য হেরফেরও পুরো বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যের ভিত্তিতে গালিবাফ আরও জানান, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলোকে আর্থিক সুরক্ষা দিতেকারেন্সি সোয়াপব্যবস্থার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) মিত্র দেশগুলোর জন্য এই সুবিধা সম্প্রসারণের পক্ষে। ইরান ইসরায়েল সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশ অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের সাহায্য করাই এর মূল লক্ষ্য।

এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভিন্ন এক চিত্র। সেখানে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষতির দায়ভার ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। নিজেদের অর্থনীতি সুরক্ষিত রাখতে ইউএই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি আর্থিক নিরাপত্তা বলয় তৈরির বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ